শীর্ষ সংবাদঃ

» করোনার প্রাদুর্ভাব দূরীকরণে নিরলসভাবে কাজ করছেন এসিল্যান্ড নূর-ই-আলম

প্রকাশিত: 30. March. 2020 | Monday

♦করোনার প্রাদুর্ভাব দূরীকরণে নিরলসভাবে কাজ করছেন এসিল্যান্ড নূর-ই-আলম

♦১১ দিনে ৩৮ জনের জেল জরিমানা

কামাল হোসেন, কয়রা:
করোনার প্রার্দুভাব দূরীকরণে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন (পিএএ) এর নির্দেশনায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহার তত্ত্বাবধানে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন খুলনার কয়রা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নুর-ই-আলম সিদ্দিকী। অনন্য মানসিকতা ও সুললিত ভাবনা অনুপ্রেরণা হয়ে উদ্ভাসিত হয়েছে কয়রার সাধারণ মানুষের হৃদয়ে। দিনে কিংবা রাতে সাম‌াজিক দুরত্ব বজায় রাখা নি‌শ্চিতকর‌ণে কিংবা দ্রব্যমূ‌ল্যের উর্ধগ‌তি নিয়ন্ত্র‌ণে যে কোন অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ছুটে যেতে দেখা যায় ঘটনাস্থলে।এছাড়া জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি। যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে তিনি যেমন নমনীয় তেমনি কঠোর। করোনা প্রতিরোধের কার্যক্রম শুরু থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত এক ভূয়া ডাক্তারকে তিন মাসের জেল প্রদানসহ ১১ জন ব্যবসায়ী, ২৩ জন জনসাধারণ ও ৩ জন ভূয়া ডাক্তারকে নিয়ম অমান্য করায় মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বেশি দামে পণ্য বিক্রয় ও ভেজাল পণ্য বিক্রয় করায় ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৪৫ ধারায় জায়গীরমহল গ্রামের রাধাকৃষ্ণের পুত্র শ্যামল দাস , মকবুল মোড়লের পুত্র সিরাজুল, গিলাবাড়ী গ্রামের আফিল মোড়লের পুত্র সামাদ,ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৯ ধারায় ষোলহালিয়া গ্রামের মৃত্যু জলিল গাজীর পুত্র আজহারুল ইসলাম,হাসেম গাজীর পুত্র রেজাউল করিম, বানিয়াগ্রামের মৃত্যু আনোয়ার গাজীর পুত্র সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ আব্দুস সালাম এর পুত্র মোস্তফা হাবিবুর রহমান, ঘুগরাকাটি গ্রামের মৃত্যু রুহুল আমিনের পুত্র সোহরাব হোসেন , অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬ এর ৬ ধারায় আমাদি গ্রামের যোগী মন্ডলের পুত্র বিশ্বনাথ মন্ডল,ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪১ ধারায় মহারাজপুর গ্রামের আইনুদ্দিনের পুত্র আলমগীর হোসেন সহ ১১ ব্যবসায়ী, আইন অমান্য করে চলাফেরা করাই দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৬ ও ১৮৮ ধারায় উত্তর বেদকাশী আব্দুল হামিদ এর পুত্র জাহাঙ্গীর আলম, ঝিলিয়াঘাটা গ্রামের রাজ্জাক সরদারের পুত্র রবিউল, ১ নং কয়রা গ্রামের আহম্মদ মোড়লের পুত্র আসাদুল,বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের জসিম সরদারের পুত্র নুর ইসলাম, আব্দুল আজিজ গাজীর পুত্র রুহুল আমিন, খোকনের পুত্র আব্দুল্লাহ, শিমলা রাইট গ্রামের নুর মোহাম্মদ গাজীর পুত্র আব্দুস সালাম, ইয়ার আলীর সরদারের পুত্র আনারুল ইসলাম সহ ২২ জন জনসাধারণ ও ভূয়া ডাক্তার সেজে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয় মেডিকেল ডেন্টাল কার্ড আইন ২০১০ এর ২৯ ধারায় মদিনাবাগ গ্রামের রজব আলীর সানার পুত্র আব্দুর রহমান, আমিরপুর গ্রামের মৃত আদিত্য রায়ের পুত্র তপন কুমার রায় সহ তিন ক্যাটাগরিতে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ঝিলিয়াঘাটা বাজারের ভুয়া ডাক্তার কামরুজ্জানকে তিন মাসের জেল প্রদান করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মোঃ নুর-ই-আলম সিদ্দিকী বলেন, খুলনা জেলার জেলা প্রশাসক স্যারের সার্বিক নির্দেশনায় ও কয়রা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যারের তত্ত্বাবধানে কয়রা উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নিয়মিত সর্বস্তরের জনগনকে নিরাপদ দুরত্বে থেকে যার যার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনে যার যার ঘরে অবস্থান করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। বাজারে ও পাড়ার মোড়ে অকারনে অবস্থান না করার জন্য সচেতন করা হচ্ছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও সরকারি নির্দেশ মেনে চলার জন্য বলা হচ্ছে। এ সাথে আইন অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯৩০ বার

error: Content is protected !!