শীর্ষ সংবাদঃ

» ভুমি উন্নয়ন কর আদায় সহ নানাবিধ উন্নয়নে নজির সৃষ্টি করলেন কয়রার এসিল্যান্ড নুর-ই-আলম

প্রকাশিত: 23. July. 2020 | Thursday

 

 

কামাল হোসেন কয়রা:
ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে অফিসিয়াল লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আদায়, লক্ষমাত্রার দ্বিগুনেরও বেশি ভিপি আদায়, নামজারীর মাধ্যমে আদায়, মামলা নিস্পত্তি, দ্রত সমেয়ের মধ্যে ই-মিউটেশন সম্পন্ন, জলমহল থেকে আয় প্রভূতি বিষয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে নজির সৃষ্টি করলেন কয়রা উপজেলা সহকারী কমিশনার   (ভূমি ) নূর-ই-আলম সিদ্দিকী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কয়রা উপজেলায় ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে(সাধারণ) অফিসিয়াল লক্ষমাত্রা ছিল ৮৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭৩২ টাকা। সেখানে এ অর্থ বছরে আদায় হয়েছে ৯০ লাখ ৬৫ হাজার ২৯ টাকা। যা লক্ষমাত্রার ১০৬%। যেখানে কয়রা উপজেলা ভূমি অফিসে বিগত কয়েক বছরে শতভাগ লক্ষমাত্রাও অর্জন করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া ভিপি আদায় লক্ষমাত্রা ছিল ১৬ লাখ ১৪ হাজার ৮৮০ টাকা। আদায় হয়েছে ৩৪ লাখ ৪২ হাজার ৪১৭ টাকা। যা লক্ষমাত্রার ২৪২%। নামজারীর মাধ্যমে আয় হয়েছে ৫ লাখ ২৮ হাজার ২৫১ টাকা। জলমহল থেকে আয় হয়েছে ২৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪০০ টাকা। মিউটেশনের সকল আবেদন দ্রুততার সাথে নিস্পত্তি করা হয়েছে। অদ্যবধি কোন মিউটেশন আবেদন পেন্ডিং নাই। মিউটেশন আবেদনের পরে মাত্র ২ দিনের মধ্যেও নিস্পত্তি করে দেয়া হয়েছে।
সার্টিফিকেট মামলা  ২০ টির মধ্যেনিস্পত্তি করা হয়েছে ১৩ টি।

রাজস্ব কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নুর-ই-আলম সিদ্দিকী বলেন,খুলনা জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ হেলাল হোসেন (পিএএ) স্যারের টিম খুলনার সদস্য হিসেবে তার নেতৃত্বে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোঃ জিয়াউর রহমান  (পিএএ) স্যারের নির্দেশনায় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস এর তত্ত্বাবধানে কয়রা উপজেলার সাধারন মানুষের জন্য ভূমি সেবা সহজীকরন, জমি জমার বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য চেষ্টা করেছি, সেই সাথে সরকারি রাজস্ব আদায়ে প্রথম থেকেই ততপর ছিলাম যার ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। ই-মিউটেশন এর মাধ্যমে আমরা সম্প্রতি জাতিসংঘ থেকে আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পেয়েছি। কয়রাতে ১০০% ই-মিউটেশন এর মাধ্যমে সেবা দেয়া হয়। এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য করোনার এই দূর্যোগেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সাথে নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, হোমকোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন নিশ্চিত করা এবং মোবাইল কোট পরিচালনার পাশাপাশি রাজস্ব কর্মকর্তার দাযিত্ব পালন করতে হয় উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)  বা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটকে। এমতাবস্থায় করোনার মাঝেও ঝুঁকি নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করেছেন সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে। তার এই প্রচেষ্টায় দেশ ও উপজেলাবাসি উপকৃত হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ৯১৫ বার

error: Content is protected !!